1. admin@tassnewz.com : admin :
  2. tassnewz@gmail.com : Emon Dustidar : Emon Dustidar
পৃথিবীর কোনো দেশে এতোবার সংস্কৃতির ওপর আঘাত আসেনি : প্রধানমন্ত্রী - Tass Newz a });
রবিবার, ২৬ মার্চ ২০২৩, ১২:৫৪ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ বোর্ড :
২৫ মার্চের ভয়াল সেই ‘কালরাত’ স্মরণ করল দেশ টর্নেডোর আঘাতে যুক্তরাষ্ট্রে নিহত অন্তত ২৩ জাগো নিউজের বিপ্লব দিক্ষিৎ বিপিজেএ ক্রীড়া উৎসবে চ্যাম্পিয়ন ঐতিহাসিক পুরোনো ঢাকার জমজমাট ইফতার বাজার। ৪ হাজার টাকা দাম বাড়ল স্মারক স্বর্ণমুদ্রার চার বড় কোম্পানি সর্বোচ্চ ১৯৫ টাকায় ব্রয়লার মুরগি বেচবে বন্যার্তদের পুনর্বাসনে এডিবি বাংলাদেশকে ২৩০ মিলিয়ন ডলার দেবে গণমুক্তি জোট- এর মনোনয়ন বোর্ড গঠন,পাঁচ সিটি নির্বাচন ৯ প্রকল্প অনুমোদন একনেকে রাজস্থলীতে ৪র্থ পর্যায়ে ১৫ টি ভূমিহীন পরিবারের মাঝে গৃহ হস্তান্তর অনুষ্ঠানে চেয়ারম্যান উবাচ মারমা বাড়লো হজের নিবন্ধনের সময়, হজের খরচ কমলো ১১৭২৫ টাকা, স্থানীয় বাজারকে পুনরুজ্জীবিত করার পাশাপাশি নতুন বাজার খুঁজতে সংশ্লিষ্ট সকলকে নির্দেশ- প্রধানমন্ত্রীর চিনির দাম ৫ টাকা কমবে রোজার প্রথম সপ্তাহে : বাণিজ্যমন্ত্রী মাছ-মাংসের দাম বেড়েই চলেছে ইন্টারপোলের রেড নোটিশ আরাভ খানের বিরুদ্ধে : আইজিপি জাল নোট নিয়ে রমজানে সতর্কতা সৌন্দর্যহানীকর ব্যবসা রাজশাহী নগরীর দুপাশের ফুটপাতজুড়ে ডোনাল্ড ট্রাম্প মঙ্গলবার গ্রেপ্তার হতে পারেন ৬৫ প্রশিক্ষণার্থী পেলেন লক্ষ্য একাডেমি অ্যাওয়ার্ড আজ বিশ্ব ঘুম দিবস
FLASH :

  মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে তাজ নিউজ এরসকল গ্রাহক,পাঠক,সাংবাদিককমকর্তাকমচারি,ক্যবল অপারেটরওয়াইফাই অপারেটরনেটওয়ার্ক অপরেটরসহ বিজ্ঞাপন দাতাদের জানাই শুভেচ্ছা ও ধন্যবাদ Welcome To Our News site.. .R You Join  Our Tassnewz Team Member pls Send your photo with cv and send email tassnewz@gmail.com // Tst : Transmission System Test . Test On AiR, Test Air Signal   সবাই কে স্বাধীনতা দিবসের শুভেচ্ছা জানিয়ে একটি সু-খবর দিতে চাই। আজ থেকে আমাদের পদচারনা এখন রেডিও তে রেডিওতাসএফএম  নিয়ে আমাদের রেডিও কার্যক্রম আজ ২৬ মার্চ ২০২৩  এ শুভ উদ্ভোদন করা হল।।আমাদের লিংক এ অথবা এপস ডাউনলোড করে শুনতে পারেন অনায়েশে।

পৃথিবীর কোনো দেশে এতোবার সংস্কৃতির ওপর আঘাত আসেনি : প্রধানমন্ত্রী

TassNewzDask
  • প্রকাশিত : সোমবার, ২০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৩
  • ৪৬ বার পঠিত
1852
6 / 100

সোমবার (২০ ফেব্রুয়ারি) ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে একুশে পদক ২০২৩ প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তেব্যে এ কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, পাকিস্তানিরা বারবার বাংলার ওপর আঘাত হেনেছে। পৃথিবীর কোনো দেশে এতোবার সংস্কৃতির ওপর আঘাত আসেনি।

1852

শেখ হাসিনা বলেন, ১৯৪৭ সালে পাকিস্তান নামে একটি দেশের সৃষ্টি হয়, যারা পূর্ব পাকিস্তান তথা বাংলাদেশ থেকে সম্পূর্ণ ভিন্ন ছিল। একসময় তারা আমাদের সংস্কৃতিতে আঘাত হানে। আমাদের ওপর উর্দু ভাষা চাপিয়ে দেয়। করাচিতে এক আলোচনায় তারা এই বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়। তাদের এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আমাদের দেশে প্রবল আন্দোলন শুরু হয়।প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, ১৯৫২ এর ভাষা আন্দোলনের পর ১৯৫৩ সালে প্রথম ভাষা শহীদ দিবস পালন করা হয়। আরমানিটোলায় এক সভায় এ দিবস পালনের দাবি তোলা হয়। এরপর ১৯৫৬ সালে আওয়ামী লীগ সরকার গঠন করে উর্দুর পাশাপাশি বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা হিসেবে ঘোষণা করে। এরপরেও পাকিস্তানিরা থেমে থাকেনি। তারা তখন উর্দু হরফে বাংলা লেখার নিয়ম করে, আরবি হরফে বাংলা লেখার নিয়ম করে। রবীন্দ্রনাথের গান নিষিদ্ধ করে। যার প্রতিবাদে ছাত্রসহ সবাই রাজপথে নেমে আসে।সরকারপ্রধান বলেন, আমাদের ভাষা আন্দোলনে বঙ্গবন্ধুর অবদানের স্বীকৃতি আমাদের অনেক জ্ঞানী-গুণীরাও দিতে চাননি। তারা বলেছেন, তিনিতো জেলে ছিলেন। আমার প্রশ্ন, তিনি জেলে ছিলেন কেনো? এ ভাষার জন্য আন্দোলন করেই তো তিনি জেলে ছিলেন। এ নিয়ে আমি ভাষণ দেওয়ার পর আমাদের এক বিদগ্ধজন খুব সমালোচনা করে লিখলেন, আমি নাকি সব বানিয়ে বানিয়ে বলছি। স্বাধীনতার পর এ রকম পরিবেশে আমাদের পড়তে হয়েছে। তখন আমি আর বেবি আপা এম আর আক্তার মুকুল ভাইয়ের কাছে যাই, তারিখসহ সব লেখার জন্য। তিনি লিখেছিলেন।প্রধানমন্ত্রী বলেন, ৫৬ সালে আওয়ামী লীগ যখন সরকার গঠন করে, পাকিস্তানের প্রথম শাসনতন্ত্র যখন রচনা হয় তখনই কিন্তু উর্দুর সঙ্গে বাংলাও রাষ্ট্র ভাষার মর্যাদা দেওয়া হয়েছিল। শুধু তাই না আওয়ামী লীগ সরকারের আমলেই শহীদ মিনার নির্মাণ করা হয়। অর্থ বরাদ্দ দেওয়া হয়। ২১ ফেব্রুয়ারি শহীদ দিবস ঘোষণা দিয়ে সেদিন ছুটি দেওয়া হয়।তিনি বলেন, পাকিস্তানিরা কিন্তু এখানে থেমে থাকেনি। তখন বলা হলো, আরবি হরফে বাংলা লিখতে হবে। পাকিস্তান সরকারের শিক্ষামন্ত্রী ছিলেন ফজলুর রহমান, আমাদের সালমান রহমানের বাবা (সালমান এফ রহমান), তিনি এ সিদ্ধান্ত দেন। তার বিরুদ্ধেও ছাত্ররা প্রতিবাদ জানায়। যখন সেটাও পারলো না। এরপর আরও একধাপ আসলো। রোমান হরফে বাংলা লেখা লিখতে হবে। অর্থাৎ বার বার বাংলার ওপর আঘাত।সেখানেই থেমে যায়নি। আমাদের ঢাবির বাংলা বিভাগের প্রধান ছিলেন আব্দুল হাই। মোনায়েম খান ছিলেন পূর্ব বাংলার গভর্নর। একদিন আমরা সিদ্ধান্ত পেলাম, রবীন্দ্রনাথের বই পড়া যাবে না। সেটা নিয়ে তুমুল আন্দোলন। আমরাও আন্দোলন করছি। শিক্ষকরাও আন্দোলন করেছেন। তখন মোনায়েম সাহেব হাই সাহেবকে ডাকলেন। বললেন, কী মিয়া, আপনারা শুধু রবীন্দ্র সংগীত করেন। দু-চারটা রবীন্দ্র সংগীত লিখে ফেলতে পারেন না। হাই সাহেব বললেন, স্যার, লিখতে তো পারি। আমি যদি লিখি, সেটা তো রবীন্দ্র সংগীত হবে না, হাই সংগীত হবে। কত চড়াই উতরাই পার হয়ে আসতে হয়েছে, এখনকার প্রজন্ম বোধহয় জানে না।তিনি আরও বলেন, এভাবেই সংগ্রাম দানা বেধেছে। তার পথ বেয়ে আমরা স্বাধীনতা পেয়েছি। ব্রিটিশরা শাসন করলেও ভাষা ও সাহিত্য এবং সংস্কৃতি নিয়ে তাদের বাধা ছিল না। কিন্তু আমাদের দেশ সেটা করেছে।শেখ হাসিনা বলেন, ভাষা আন্দোলনের করার ফলে গ্রেফতারের পর ২৭ ফেব্রুয়ারি মুক্তি পান বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব। মুক্তি পাওয়ার ৫৩ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি আরমানিটোলায় এক জনসভার মাধ্যমে পালন হয়। সেখানেই ২১ ফেব্রুয়ারিকে শহীদ দিবস হিসেবে ঘোষণা ও শহীদদের প্রতি সম্মান দেওয়ার দাবি তোলেন।প্রধানমন্ত্রী বলেন, একুশে পদকপ্রাপ্ত গুণীজনদের আন্তরিক অভিনন্দন জানাচ্ছি। সমাজে এমন অনেক গুণীজন পড়ে আছেন, যাদের বিষয়ে অনেকে জানে না। আমরা তাদের অবদান স্মরণ করার চেষ্টা করি। একটা সময় অল্প কিছু লোককে এ পদক দেওয়া হতো। আমি ২১ জনকে বেছে নিই। আমি আশা করি, নতুন প্রজন্মও এভাবে সমাজে ভূমিকা রাখবে। কারণ গুণীজনদের পদাঙ্ক অনুসরণ করেই দেশকে এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে।এর আগে নিজ নিজ ক্ষেত্রে অসামান্য অবদানের জন্য ১৯ জন বিশিষ্ট নাগরিক ও দুটি প্রতিষ্ঠানকে ‘একুশে পদক-২০২৩’ প্রদান করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।মন্ত্রিপরিষদ সচিব মো. মাহবুব হোসেনের সঞ্চালনায় এতে আরও বক্তব্য দেন সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ।

এ জাতীয় আরও খবর

radiotassfm.live

ফেসবুকে আমরা

আর্কাইভ